জীবনে সফল হতে চাইলে, ৬টি ব্যর্থতার স্বাদ নিন

সফলতা কখনো সহজে আসে না এবং সফলতার কোন ফর্মুলাও নেই। জীবনের প্রতিটি ধাপে মানুষ ঠেকে ঠেকেই শেখে। এবং নিজের বিফলতা ও ভুলগুলো ঠেকে যারা শিক্ষা নিতে পারেন, প্রকৃত পক্ষে তাঁরাই হতে পারেন জীবনে সত্যিকারের সফল।
এবং যারা একই ভুলের পুনরাবৃত্তি করতেই থাকেন, বলাই বাহুল্য যে তাঁদের স্থান হয় সময়ের প্রবাহে। ব্যর্থতাকে ভয় পাবার কিছু নেই, বরং এক একটি ব্যর্থতা আপনাকে অনেক বেশী অভিজ্ঞ ও সাহসী করে তোলে।
যে মানুষটি জীবনে বারবার ব্যর্থ হয়ে সফল হয়েছেন, তিনি নিঃসন্দেহে অনেক বেশী জানেন জীবন সম্পর্কে এবং অনেক বেশী অভিজ্ঞ। সফলতা চাই জীবনে? তাহলে জেনে রাখুন কোন ব্যর্থতার স্বাদগুলো আপনাকে চেখে দেখতেই হবে।
১) সত্যিকারের ভালোবেসেও ব্যর্থতা
কাউকে খুব চাইলে, খুব ভালবাসলেন, খুব চেষ্টা করলে সম্পর্কটি ধরে রাখার। কিন্তু তারপরও মিষ্টি মুহূর্ত গুলো ফসকেই গেলেও হাত থেকে, সম্পর্কের ভাঙন আপনাকে ঠেলে দিল ব্যর্থতার অন্ধকারে। ভাবছেন এ থেকে আবার ভালো কী হতে পারে? সম্পর্কের ক্ষেত্রে পাওয়া এই ভীষণ কষ্টই আপনাকে শেখাবে নিজেকে ভালবাসতে এবং ভবিষ্যতে এমন ভুল আর না করতে।
২) পরীক্ষায় আশানুরূপ ফল না পাওয়া
পরীক্ষায় বাজে ফল জীবনে সকলেই কখনো না কখনো করেন। এবং এই জিনিসটিই লেখাপড়ায় খুব সিরিয়াস হতে শেখায়। এমন অনেককেই দেখতে পাবেন যারা জীবনে কখনো অকৃতকার্য হবার পর লেখাপড়ায় এতটাই ভালো হয়ে গিয়েছেন যে আশার চাইতেও অনেক ভালো ফল করেছেন।
৩) হয়তো একটি বাজে চাকরি
একটি বাজে চাকরি করা বা চাকরি নির্বাচনে ভুল করা কিংবা চাকরি করতে গিয়ে ব্যর্থতা আমাদের বুঝতে শেখায় যে আসলেই জীবনে কোন কাজটি করতে চাই আমরা বা কোন কাজটিকে পেশা হিসাবে বেছে নিতে চাই।
৪) একটি প্রিয় বন্ধুত্বের ব্যর্থতা
সম্পর্ক ব্যর্থ হয়ই, এটাই সম্পর্কের ধর্ম। সব সম্পর্কই চিরকাল টিকে থাকে না। তবে হ্যাঁ, একটি দারুণ বন্ধুত্বের ভাঙন জীবন সম্পর্কে আপনাকে যা সিক্ষে দিতে পারবে, সেটা আর কিছুই নয়।
৫) খুব করে কিছু একটা চেয়েও না পাওয়া
কখনো কখনো এমন হয়, কিছু একটা আমরা খুব করে চাই এবং সেটা পাবার জন্য প্রচদন পরিশ্রম করি। কিন্তু কোন একটা কারণে সেটা আর আমাদের পাওয়া হয়ে ওঠে না। এই ভীষণ ব্যর্থতা মারাত্মক কষ্ট দেয় ঠিকই, সাথে এটাও শিখিয়ে যায় যে জীবনে চাইলেই সবকিছু পাওয়া যায় না।
৬) কিছু সময়ের আর্থিক বিপর্যয়
আপনার আর্থিক সচ্ছলতা থাকুক বা না থাকুক, জীবনে একবার হলেও আর্থিক বিপর্যয় জিনিসটা খুবই জরুরী। এই বিষয়টি টাকার গুরুত্ব বুঝতে শেখায় এবং ভিবিসশত পরিকল্পনা আরও সাবধানে করতে শেখায়।
 শান্তির দূত নেলসন ম্যান্ডেলা
নেলসন রোলিহালালা ম্যান্ডেলা ১৯১৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ট্রান্সকিতে জন্মগ্রহণ করেন।তার বাবা হেনরি মেন্ডেলা টেম্বু উপজাতির প্রধান ছিলেন।মেন্ডেলা প্রথমে ফোর্ট হেয়ার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ও পরে উইট ওয়াটারসরেন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেন।১৯৪২ সালে তিনি আইন
ক্ষুধার্ত থেকো, বোকা থেকো
স্টিভ জবস বিশ্বখ্যাত কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল ও অ্যানিমেশন স্টুডিও পিক্সারের (টয় স্টোরি, ফাইন্ডিং নিমো, মনস্টার ইনকরপোরেটেড, ওয়াল-ই, আপ-এর মতো অসাধারণ অ্যানিমেশন তৈরি করেছেন) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন বক্তা হিসেবে ২০০৫ সালে আমন্ত্রিত হয়েছিলেন স্টিভ জবস। সে বছর ১২ জুন এক ঝাঁক তরুণ মেধাবী শিক্ষার্থীর
স্টিভ জবস এর অনুপ্রেরণা মূলক কিছু কথা!
স্টিভ জবস মারা যায় ৫৬ বছর বয়সে। তিনি এই অল্প সময়েই রেখে গেছেন সমগ্র জাঁতির জন্য বিশাল অবদান এবং কর্ম প্রেরণা। তাই আজকে ব্লগিং এ তার কিছু  অনুপ্রেরণা মূলক কথা দেখবঃ
 সেই ৪০ জন ব্যক্তি – যাদের কারণে সমৃদ্ধ এই  ইন্টারনেট
ইন্টারনেট বিশ্ব কে শক্তিশালী বন্ধনে আবদ্ধ করেছে । আমরা এখন পত্রিকার বদলে অনলাইনে নিউজ পরি । আমাদের মধ্যে অধিকাংশই এখন কাগজ কলমের বদলে ইমেইল এর মাধ্যমে যোগাযোগ করে । আমরা অনলাইন এ চলচিত্র দেখি, যা বর্তমানে এক ব্যাপক ব্যবসা উদ্যোগে পরিণত হয়েছে । আমরা এখন ইন্টারনেট এর সাহায্যেই কেনাকাটা বা বিল পরিশোধ করতে পারি । ওয়েব বন্ধুত্বকেও বিভিন্ন